প্রকাশিত: ১১ ঘন্টা আগে, ১১:৫১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনাকে ঘিরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনাটিকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন কঠোর প্রতিক্রিয়ার-যদিও হামলার পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা’র খবরে বলা হয়, রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় গারগাশ সতর্ক করে বলেন, বেসামরিক স্থাপনা- বিশেষ করে পারমাণবিক অবকাঠামো- লক্ষ্য করে হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। তার ভাষায়, এটি শুধু একটি দেশের ওপর আঘাত নয়; বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক নজির’।
তিনি আরও বলেন, “মূল হামলাকারী কিংবা তাদের সহযোগী- যেই হোক না কেন, এ ধরনের আক্রমণ বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তাকে অবজ্ঞা করার শামিল।” একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে জানান, “কেউ আমিরাতকে চাপে ফেলতে পারবে না। নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের যে পথ আমরা বেছে নিয়েছি, তা কোনোভাবেই ব্যাহত হবে না।”
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক তথ্য দিয়ে জানায়, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনগুলো দেশের পশ্চিম সীমান্ত দিক থেকে প্রবেশ করেছিল। তবে লক্ষ্যবস্তুতে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হামলার প্রকৃতি ঠিক কী ছিল- সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে সরাসরি প্রভাবিত করতে পারে। ফলে এ ধরনের ঘটনার দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং দায়ীদের চিহ্নিত করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ঘটনাটি এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ইতোমধ্যেই বিরাজমান। এ অবস্থায় আমিরাতের কঠোর বার্তা পরিস্থিতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়, সেদিকেই নজর এখন আন্তর্জাতিক মহলের।
বাংলাধারা/এসআর
মন্তব্য করুন