বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ১১:৪৪ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

জিয়াউলের গুম-খুনের মামলায় চলছে ১৪তম সাক্ষীর জেরা

ছবি; সংগৃহিত

আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া ১৪তম সাক্ষীর জেরা চলছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এ জেরা শুরু হয়।
জব্দ তালিকার সাক্ষী কামরুল ইসলামকে জেরা করছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী সাহিদুর রহমান। বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে সাক্ষীর কাছ থেকে জবাব আদায় করছেন এই আইনজীবী।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে রয়েছেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, তাসমিরুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিম ও মামুনুর রশিদ।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর জিয়াউলের মামলায় সাক্ষ্য দেন কামরুল ইসলাম। তদন্ত চলাকালে বিভিন্ন স্থান থেকে কী কী আলামত জব্দ করা হয়েছে, তা ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন তিনি। একই দিন ১৩তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা শেষ হয়। তিনিই এ মামলার সর্বশেষ চাক্ষুষ সাক্ষী বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। এছাড়া আগামী অক্টোবরের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হতে পারে বলেও আশা ব্যক্ত করেছেন তারা।
এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এ মামলায় সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমটি হলো- ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিন হত্যা।
দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা।
তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ হত্যার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। অর্থাৎ দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লিখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনের প্রাণ নেওয়া।
এসব হত্যাকাণ্ডের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

বাংলাধারা/ডেস্ক

মন্তব্য করুন