প্রকাশিত: ৪৫ মিনিট আগে, ১২:৪৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে আরও ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পঞ্চম দফায় অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৩৫ জনকে আটক করা হলো। শনিবার (৩ অক্টোবর) কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া কর্মকর্তা) লুৎফর রহমান ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সারা জেলার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, জেলাজুড়ে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। এই অভিযানের অংশ হিসেবেই জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চলছে। কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে এমন বিভিন্ন স্থান, আড্ডাস্থল ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও সরাসরি অংশ নেন। পঞ্চম দফায় অভিযানে ৩৬৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বলেন, অভিযানে আটক ৩৬৩ জনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য রয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উঠতি বয়সি কিশোরদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে নিয়মিত জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ অভিযান প্রতিনিয়ত চলবে।
এর আগে ৪ দফায় ১ হাজার ৬শ ৭২ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে যাদের অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। বাকিদের মুচলেকা রেখে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবারের অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের ‘রতন গ্রুপ’-এর প্রধান মো. রতনকে গেপ্তার করা হয়েছে। ২০২২ সালে কুমিল্লা মিশনারী স্কুলের সামনে রতন গ্রুপ ও ঈগল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে শাহাদাত হোসেন নামের একজনের মৃত্যু হয়। রতন গ্রুপের প্রধান মো. রতন ওই হত্যা মামলার প্রধান আসামি। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
বাংলাধারা/ডেস্ক
মন্তব্য করুন