প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৭:০৪ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম ঐতিহাসিক ভেন্যু মারাকানায় আবারও বসতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের ফাইনালের আসর। ২০২৭ নারী ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোর এই কিংবদন্তি স্টেডিয়াম। এর মধ্য দিয়ে পুরুষ ও নারী- দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন করা ভেন্যুর বিরল তালিকায় নাম লেখাতে যাচ্ছে মারাকানা।
২০২৭ সালের নারী বিশ্বকাপ ব্রাজিলের আটটি শহরকে ঘিরে অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টের ম্যাচ আয়োজনের শহর ও প্রাথমিক ভেন্যু পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে ফিফা। প্রতিটি আয়োজক শহরে অন্তত সাতটি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি প্রতিটি শহরেই থাকবে অন্তত একটি নকআউট ম্যাচ।
ব্রাসিলিয়া, পোর্তো আলেগ্রে, রেসিফি ও সালভাদরে অনুষ্ঠিত হবে শেষ ষোলো পর্যন্ত ম্যাচ। কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ আয়োজন করবে বেলো হরিজন্তে, ফোর্তালেজা, রিও ডি জেনেইরো ও সাও পাওলো। সেমিফাইনালের দুটি ম্যাচ হবে রিও ডি জেনেইরো ও সাও পাওলোতে। আর টুর্নামেন্টের মহারণ- ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে মারাকানায়।
বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে মারাকানার গুরুত্ব আলাদা। এবার নারী বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের মাধ্যমে স্টেডিয়ামটি এমন এক বিশেষ কীর্তি অর্জন করতে যাচ্ছে, যা এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি ভেন্যুর রয়েছে। সুইডেনের রাসুন্দা স্টেডিয়াম ও যুক্তরাষ্ট্রের পাসাডেনার রোজ বোল এরই মধ্যে পুরুষ ও নারী বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন করেছে। এবার সেই অভিজাত তালিকায় যুক্ত হবে মারাকানা।
বিশ্বকাপের আয়োজক শহর ও ভেন্যু চূড়ান্ত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ব্রাজিলের সমৃদ্ধ ফুটবল সংস্কৃতি এবং সমর্থকদের আবেগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের আবেগ, রং ও উচ্ছ্বাসের কথা ভাবলেই তিনি রোমাঞ্চিত হন।
ইনফান্তিনোর মতে, ব্রাজিলের আট আয়োজক শহরের বৈচিত্র্য এবারের নারী বিশ্বকাপকে আরও বর্ণিল করে তুলবে। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি প্রতিটি শহরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ফুটবলপ্রেমী মানুষের উচ্ছ্বাস পুরো টুর্নামেন্টে তৈরি করবে ভিন্ন এক আবহ।
ব্রাজিলে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাওয়া নারী বিশ্বকাপ তাই শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়; মারাকানার ইতিহাস, ব্রাজিলের ফুটবল ঐতিহ্য এবং আট শহরের বৈচিত্র্য মিলিয়ে ২০২৭ বিশ্বকাপ হয়ে উঠতে পারে নারী ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় আসর।
বাংলাধারা/শারমিন
মন্তব্য করুন