প্রকাশিত: ৮ ঘন্টা আগে, ০৭:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের জেরে মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান নেন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে সতর্ক অবস্থানে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারণে নতুন করে কোনো সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টার পর থেকে রংপুর মহানগর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপির অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় তাদের অনেকের হাতে ছুরি, চাপাতি, লাঠিসোঁটাসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা জামায়াত ও ছাত্রশিবিরবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও একই স্থানে পাল্টা কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া ছাত্রশিবির বা তাদের সহযোগী সংগঠনের কোনো নেতা-কর্মীকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া যুবদলের এক কর্মী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রতি সংহতি জানাতেই তারা সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির রাজনীতির কোনো স্থান বাংলাদেশে নেই এবং রংপুরের মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক সতর্কতা অবলম্বন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান জানান, ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, রংপুর মহানগর থেকে আসা নেতা-কর্মীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ না করতে অনুরোধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
প্রক্টর আরও জানান, একটি পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান করছে, আরেকটি পক্ষ লালবাগ এলাকায় ছিল। উভয় পক্ষ যেন মুখোমুখি হতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও তাজহাট থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাধারা/শারমিন
মন্তব্য করুন