প্রকাশিত: ১৫ ঘন্টা আগে, ১২:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কারাগারে বসে ভিডিও কলে হাসিনার ফেরার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি ভিডিওর বিষয়ে তদন্ত করে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের নয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, গত ২৭ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গণমাধ্যমের ফেসবুক পেজে ‘কারাগারে বসে ভিডিও কলে হাসিনার ফেরার বার্তা দিচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে মোবাইল ফোনে অপর একজনের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। পোস্টে ভিডিও কলটি কারাগারের বলে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে কারা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হয়, ভিডিওটির কোনো অংশই লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের নয়।
মো. জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, গত ২০ জুলাই হাজতি নম্বর ১৯৪৬/২৬ মির্জা আশরাফুজ্জামান ওরফে রাসেল এবং হাজতি নম্বর ২৪৪২/২৬ মো. নাঈম হোসেন সন্ত্রাস দমন আইনের একটি মামলায় কারাগার থেকে হাজিরার উদ্দেশ্যে লক্ষ্মীপুর আদালতে যান। সেখানে অবস্থানকালে তারা ভিডিও কলের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন এবং অন্য একজন তা ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট বন্দিরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, এ ধরনের প্রপাগান্ডা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য কারাগার সম্পর্কে জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কারাগারের মতো একটি সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা বিবেকবর্জিত ও ন্যাক্কারজনক। এ ধরনের ভিডিও বা সংবাদ প্রচারের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাই না করা এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল একটি প্রতিষ্ঠানের নামে মিথ্যা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটি প্রচলিত আইনেরও পরিপন্থি।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বন্দিদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারা নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা সবসময় সচেষ্ট এবং এ ধরনের বিষয়ে কঠোর নীতি অনুসরণ করে।
বাংলাধারা/ডেস্ক
মন্তব্য করুন