বাংলাধারা রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০১:৪০ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

তনু হত্যা মামলায় ফের গ্রেপ্তার সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে ফের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আত্মসমর্পণ না করায় এবং তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ থাকায় শনিবার সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (৮ আগস্ট) পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পিবিআই জানায়, তনু হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে চেম্বার জজ আদালতের দেওয়া আদেশ প্রতিপালন না করার অভিযোগ রয়েছে। একই আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী শনিবার সকালে কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর হাফিজুর রহমানকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন এবং আসামির পলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রোধে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থাটি।

এর আগে গত ২২ এপ্রিল তনু হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর গত ৪ আগস্ট কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

তবে তার জামিনের বিষয়টি বেশিদিন বহাল থাকেনি। গত ৬ আগস্ট হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। একই সঙ্গে হাফিজুর রহমানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

চেম্বার জজ আদালতের ওই নির্দেশের পরও আত্মসমর্পণ না করায় শনিবার তাকে আবার গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু। পরদিন সেনানিবাসের ভেতর একটি জঙ্গলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকেই হত্যাকাণ্ডটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তনু হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মামলার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।

বাংলাধারা/শারমিন

 

মন্তব্য করুন