বাংলাধারা মফস্বল

প্রকাশিত: ২ ঘন্টা আগে, ০৭:৩৩ এ এম

অনলাইন সংস্করণ

সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ড দুর্ঘটনায় আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু, নিহত ১০

ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ইদ্রিস আলী (৫০) নামে ওই শ্রমিকের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ১৪ আগস্টের দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ জনে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রাম নগরের বেসরকারি ন্যাশনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইদ্রিস আলীর মৃত্যু হয়। তার বাড়ি জামালপুরে। দুর্ঘটনার দিন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছয় দিন আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়। পরে বৃহস্পতিবার মরদেহ গ্রামের বাড়ি জামালপুরে পাঠানো হয়েছে।

ইদ্রিস আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলাম। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর অসুস্থ অবস্থায় ইদ্রিস আলীকে ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

ন্যাশনাল হাসপাতালের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. ফারুকও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার দিন থেকেই ইদ্রিস আলী হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য দপ্তরকে জানানো হয়েছে।

এর আগে ১৪ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইয়ার্ডে পুরোনো জাহাজ ‘এমটি রাসি’র ব্যালাস্ট ট্যাংক কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হন কয়েকজন শ্রমিক। ঘটনাস্থল ও পরবর্তী সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। আহত আরও ছয়জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ছিলেন ইদ্রিস আলী।

দুর্ঘটনার পর ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিংয়ের সব কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তের মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাণহানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

বাংলাধারা/শারমিন

মন্তব্য করুন