প্রকাশিত: ৩৪ মিনিট আগে, ০৪:৪৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ভোলা সদর উপজেলা-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মায়ের সঙ্গে গোসল করার সময় তীব্র ঢেউয়ের কবলের পড়ে নদীতে তলিয়ে গেছে মো. শামীম (৫) নামে এক শিশু।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার বিচ্ছিন্ন কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝেরচরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ শামীম ওই একই এলাকার জেলে আব্দুল জলিল নয়ন ও ছেলে মনি দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে ছোট ছেলে।
নিখোঁজের পরিবার ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, সকালে জোয়ারের সময় শিশু শামীম তার মায়ের সঙ্গে মেঘনার নদীর তীরে নেমে গোসল করছিল। তার মা ভেজা কাপড় পরিবর্তন করার জন্য উপরে উঠে গিয়েছিল এবং শিশুটি তীরে গোসল করে যাচ্ছিল। এরমধ্যে ইলিশা লঞ্চঘাটের দিক থেকে ভোলা সদরের ইলিশা নৌথানা পুলিশের সদস্যদের নিয়ে তাদের একটি দ্রুতগতির স্পিডবোট নদীর কূল ঘেষে দক্ষিণ দিকে (দৌলতখানের দিকে) যাওয়ার সময় বোটের সৃষ্ঠ তীব্র ঢেউয়ের কবলে পড়ে নদীর মধ্যে চলে গিয়ে নিখোঁজ হয় শিশুটি। পরে ৩-৫ মিনিট পরে শিশুটির মা নদী তীরে এসে দেখেন তার ছেলে নেই। এরপর স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা শিশুটিকে উদ্ধারে নদীতে খোঁজাখুঁজি শুরু করেও পাননি।
দুপুর পৌনে ১টার দিকে নিখোঁজ শিশু শামীমের বাবা আব্দুল জলিল নয়ন অভিযোগ করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকালে জোয়ারের সময় আমার স্ত্রী ও ছেলে নদীতে গোসল করছিল। স্ত্রী উপরে উঠে আসার পর নদীর তীর থেকে ছেলে নৌপুলিশের স্পিডবোটের ঢেউয়ে নদীতে ডুবে গেছে। সকাল থেকে ঘটনাস্থল ও আশপাশে খোঁজ করেও পাচ্ছি না। আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই। তবে ছেলেটাকে উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের কেউ এখনো আসেনি ঘটনাস্থলে, সবাইকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ইলিশা নৌথানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকাল থেকে নৌপথের সার্বিক নিরাপত্তায় আমাদের অভিযান চলছে। কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় ইতোমধ্যে একজন জেলেকে আটক করা হয়েছে। শিশু নিখোঁজের ঘটনায় খোঁজ খবর নিতে এবং উদ্ধারের জন্য আমিসহ নৌপুলিশের টিম যাচ্ছি সেখানে।
বাংলাধারা/ডেস্ক
মন্তব্য করুন