মাছের দাম বেশি, কমেছে ব্রয়লার : গরুর মাংস ৮০০ টাকায় স্থির
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১২:৫৬ দুপুর
ছবি: সংগৃহিত
পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাছ, মুরগি ও গরুর মাংসের দামে বড় পরিবর্তন না এলেও মাছের উচ্চমূল্যে ক্রেতাদের চাপ বেড়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ মিলছে না। অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগির দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে, আর গরুর মাংস আগের মতোই কেজি প্রতি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার সকালে মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়েরবাজার বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। একই সময়ে সোনালি জাতের মুরগি ৩২০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে ৩০০ টাকায় নেমেছে।
মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাঙ্গাস ২০০-২২০ টাকা, তেলাপিয়া প্রায় ২০০ টাকা বা তার বেশি, রুই ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০-৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, কই ৩৫০-৪০০ টাকা, শিং প্রায় ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা এবং সইল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ি আকার ও জাতভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
মোহাম্মদপুরের এক ক্রেতা কাঞ্চন মিয়া বলেন, আগে পাঙ্গাস ও তেলাপিয়া তুলনামূলক কম দামের মাছ ছিল, কিন্তু এখন সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বাজারে দেখা গেছে, মাছের বাজারে মানুষের ভিড় বেশি হলেও অনেকে দাম বেশি হওয়ায় না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন। বিক্রেতাদের দাবি, মাছের দাম বেশি থাকায় ক্রেতা কিছুটা কমেছে।
রায়েরবাজারের মুরগি ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, বাজারে ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। এক ক্রেতা আনিসুল ইসলাম জানান, প্রথম রোজায় ১৯০ টাকা কেজিতে মুরগি কিনলেও এখন ১৭৫ টাকায় কিনতে পেরে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।
সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, রমজানের বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি না হলেও মাছের উচ্চমূল্য সাধারণ ক্রেতাদের জন্য প্রধান চাপ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বাংলাধারা/এসআর
