প্রকাশিত: ১ ঘন্টা আগে, ০৮:৩৬ এ এম
অনলাইন সংস্করণ
দৃঢ় রক্ষণ, বল দখলে আধিপত্য এবং আক্রমণে নিখুঁত কার্যকারিতার প্রদর্শনী—সব মিলিয়ে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম সেমিফাইনালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল লা রোজাদের হাতেই।
ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের ছন্দে খেলতে থাকে স্পেন। মাঝমাঠে দারুণ পাসিং ফুটবল আর ধারাবাহিক আক্রমণে চাপে পড়ে যায় ফরাসিরা। এরই ধারাবাহিকতায় ২২তম মিনিটে লামিনে ইয়ামালকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল তার পঞ্চম গোল।
গোল হজমের পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পেকে ঘিরে একের পর এক আক্রমণ সাজালেও স্পেনের সংগঠিত রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় বারবার থেমে যায় তাদের প্রচেষ্টা। প্রথমার্ধে কয়েকটি সম্ভাবনাময় সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।
বিরতির পর আরও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে ডান দিক দিয়ে গড়ে ওঠা দ্রুতগতির আক্রমণ থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। দ্বিতীয় গোলের পর ম্যাচের লাগাম পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় স্পেন। বলের দখল ধরে রেখে ফ্রান্সকে কার্যত কোনো সুযোগই তৈরি করতে দেয়নি তারা।
ম্যাচের শেষভাগে দেশম একাধিক পরিবর্তন এনে আক্রমণের ধার বাড়ানোর চেষ্টা করেন। তবে এমবাপ্পে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও উসমান দেম্বেলেদের সব প্রচেষ্টাই ব্যর্থ করে দেয় স্পেনের শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের স্বস্তিদায়ক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইউরোপের সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এই জয়ে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। আগামী ১৯ জুলাই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তারা দ্বিতীয় সেমিফাইনালের বিজয়ী ইংল্যান্ড অথবা আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে ফ্রান্সকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ নিয়ে।
বাংলাধারা/শারমিন
মন্তব্য করুন