ঢাকা, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

টস জিতল বাংলাদেশ, ব্যাটিংয়ে পাকিস্তান

স্পোর্টস্ ডেস্ক

 প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ০২:৩৪ দুপুর  

ছবি: সংগৃহিত

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। প্রায় তিন মাসের বিরতি শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে মাঠে নেমেছে টাইগাররা। সিরিজের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ফলে আগে ব্যাটিংয়ে নেমেছে সফরকারী পাকিস্তান।

বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি শুরু হয়েছে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে ৯৯ দিনের বিরতি কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ গত ২ ডিসেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচ খেলেছিল টাইগাররা।

ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে এই ওয়ানডে সিরিজকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে র‍্যাংকিংয়ের সেরা আট দলের মধ্যে থাকতে হবে। এছাড়া স্বাগতিক তিন দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে। দক্ষিণ আফ্রিকা যদি র‍্যাংকিংয়ের সেরা আটের মধ্যে থাকে, সেক্ষেত্রে সরাসরি সুযোগ পাবে সেরা নয়টি দল। বর্তমানে ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ে দশম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তাই গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজে ভালো ফল করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের আগে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, আগামী বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দলকে ভালো ব্যাটিং উইকেটে খেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে দল।

বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজে পাকিস্তান দলেও রয়েছে বেশ কিছু নতুন মুখ। ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে চারজন ক্রিকেটারকে অভিষেক করিয়েছে সফরকারীরা।

বাংলাদেশের মাটিতে সর্বশেষ ২০১৫ সালে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। সেই সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল বাংলাদেশ। গত বছর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেও ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল পাকিস্তান।

দুই দলের ওয়ানডে লড়াইয়ের পরিসংখ্যানে অবশ্য এগিয়ে পাকিস্তানই। এখন পর্যন্ত ৩৯টি ওয়ানডে ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। এর মধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে ৫টিতে, আর পাকিস্তান জয় পেয়েছে ৩৪ ম্যাচে। বাংলাদেশের পাঁচ জয়ের চারটিই এসেছে ২০১৫ সালে।

এই ম্যাচে বাংলাদেশের একাদশে আছেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।

পাকিস্তানের একাদশে রয়েছেন- সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হুসেইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, হুসেইন তালাত, আব্দুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ও আবরার আহমেদ।

বাংলাধারা/এসআর